সুনানে আবু দাউদ
Sunan Abu Dawud | মোট অধ্যায়: 43, মোট হাদিস: 5,274 টি
سنن أبي داود
সংকলক : শাইখ ইমামুল হুজ্জাহ আবু 'আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমা'ঈল বিন ইব্রাহীম বিন মুগীরাহ আল বুখারী আল-জু'ফী। মোট হাদীস সংখ্যা : 5,274 টি।
"সুনানে আবু দাউদ" এর সকল অধ্যায়
| ক্রমিক নং | অধ্যায়ের নাম | হাদিস রেঞ্জ |
|---|---|---|
| 1 | Purification (Kitab Al-Taharah) (Purification (Kitab Al-Taharah)) | হাদিস রেঞ্জ: 1 - 390 |
| 2 | Prayer (Kitab Al-Salat) (Prayer (Kitab Al-Salat)) | হাদিস রেঞ্জ: 391 - 1160 |
| 3 | The Book Of The Prayer For Rain (Kitab al-Istisqa') (The Book Of The Prayer For Rain (Kitab al-Istisqa')) | হাদিস রেঞ্জ: 1161 - 1197 |
| 4 | Prayer (Kitab Al-Salat): Detailed Rules of Law about the Prayer during Journey (Prayer (Kitab Al-Salat): Detailed Rules of Law about the Prayer during Journey) | হাদিস রেঞ্জ: 1198 - 1249 |
| 5 | Prayer (Kitab Al-Salat): Voluntary Prayers (Prayer (Kitab Al-Salat): Voluntary Prayers) | হাদিস রেঞ্জ: 1250 - 1370 |
| 6 | Prayer (Kitab Al-Salat): Detailed Injunctions about Ramadan (Prayer (Kitab Al-Salat): Detailed Injunctions about Ramadan) | হাদিস রেঞ্জ: 1371 - 1400 |
| 7 | Prayer (Kitab Al-Salat): Prostration while reciting the Qur'an (Prayer (Kitab Al-Salat): Prostration while reciting the Qur'an) | হাদিস রেঞ্জ: 1401 - 1415 |
| 8 | Prayer (Kitab Al-Salat): Detailed Injunctions about Witr (Prayer (Kitab Al-Salat): Detailed Injunctions about Witr) | হাদিস রেঞ্জ: 1416 - 1555 |
| 9 | Zakat (Kitab Al-Zakat) (Zakat (Kitab Al-Zakat)) | হাদিস রেঞ্জ: 1556 - 1700 |
| 10 | The Book of Lost and Found Items (The Book of Lost and Found Items) | হাদিস রেঞ্জ: 1701 - 1720 |
| 11 | The Rites of Hajj (Kitab Al-Manasik Wa'l-Hajj) (The Rites of Hajj (Kitab Al-Manasik Wa'l-Hajj)) | হাদিস রেঞ্জ: 1721 - 2045 |
| 12 | Marriage (Kitab Al-Nikah) (Marriage (Kitab Al-Nikah)) | হাদিস রেঞ্জ: 2046 - 2174 |
| 13 | Divorce (Kitab Al-Talaq) (Divorce (Kitab Al-Talaq)) | হাদিস রেঞ্জ: 2175 - 2312 |
| 14 | Fasting (Kitab Al-Siyam) (Fasting (Kitab Al-Siyam)) | হাদিস রেঞ্জ: 2313 - 2476 |
| 15 | Jihad (Kitab Al-Jihad) (Jihad (Kitab Al-Jihad)) | হাদিস রেঞ্জ: 2477 - 2787 |
| 16 | Sacrifice (Kitab Al-Dahaya) (Sacrifice (Kitab Al-Dahaya)) | হাদিস রেঞ্জ: 2788 - 2843 |
| 17 | Game (Kitab Al-Said) (Game (Kitab Al-Said)) | হাদিস রেঞ্জ: 2844 - 2861 |
| 18 | Wills (Kitab Al-Wasaya) (Wills (Kitab Al-Wasaya)) | হাদিস রেঞ্জ: 2862 - 2884 |
| 19 | Shares of Inheritance (Kitab Al-Fara'id) (Shares of Inheritance (Kitab Al-Fara'id)) | হাদিস রেঞ্জ: 2885 - 2927 |
| 20 | Tribute, Spoils, and Rulership (Kitab Al-Kharaj, Wal-Fai' Wal-Imarah) (Tribute, Spoils, and Rulership (Kitab Al-Kharaj, Wal-Fai' Wal-Imarah)) | হাদিস রেঞ্জ: 2928 - 3088 |
| 21 | Funerals (Kitab Al-Jana'iz) (Funerals (Kitab Al-Jana'iz)) | হাদিস রেঞ্জ: 3089 - 3241 |
| 22 | Oaths and Vows (Kitab Al-Aiman Wa Al-Nudhur) (Oaths and Vows (Kitab Al-Aiman Wa Al-Nudhur)) | হাদিস রেঞ্জ: 3242 - 3325 |
| 23 | Commercial Transactions (Kitab Al-Buyu) (Commercial Transactions (Kitab Al-Buyu)) | হাদিস রেঞ্জ: 3326 - 3415 |
| 24 | Wages (Kitab Al-Ijarah) (Wages (Kitab Al-Ijarah)) | হাদিস রেঞ্জ: 3416 - 3570 |
| 25 | The Office of the Judge (Kitab Al-Aqdiyah) (The Office of the Judge (Kitab Al-Aqdiyah)) | হাদিস রেঞ্জ: 3571 - 3640 |
| 26 | Knowledge (Kitab Al-Ilm) (Knowledge (Kitab Al-Ilm)) | হাদিস রেঞ্জ: 3641 - 3668 |
| 27 | Drinks (Kitab Al-Ashribah) (Drinks (Kitab Al-Ashribah)) | হাদিস রেঞ্জ: 3669 - 3735 |
| 28 | Foods (Kitab Al-At'imah) (Foods (Kitab Al-At'imah)) | হাদিস রেঞ্জ: 3736 - 3854 |
| 29 | Medicine (Kitab Al-Tibb) (Medicine (Kitab Al-Tibb)) | হাদিস রেঞ্জ: 3855 - 3903 |
| 30 | Divination and Omens (Kitab Al-Kahanah Wa Al-Tatayyur) (Divination and Omens (Kitab Al-Kahanah Wa Al-Tatayyur)) | হাদিস রেঞ্জ: 3904 - 3925 |
| 31 | The Book of Manumission of Slaves (The Book of Manumission of Slaves) | হাদিস রেঞ্জ: 3926 - 3968 |
| 32 | Dialects and Readings of the Qur'an (Kitab Al-Huruf Wa Al-Qira'at) (Dialects and Readings of the Qur'an (Kitab Al-Huruf Wa Al-Qira'at)) | হাদিস রেঞ্জ: 3969 - 4008 |
| 33 | Hot Baths (Kitab Al-Hammam) (Hot Baths (Kitab Al-Hammam)) | হাদিস রেঞ্জ: 4009 - 4019 |
| 34 | Clothing (Kitab Al-Libas) (Clothing (Kitab Al-Libas)) | হাদিস রেঞ্জ: 4020 - 4158 |
| 35 | Combing the Hair (Kitab Al-Tarajjul) (Combing the Hair (Kitab Al-Tarajjul)) | হাদিস রেঞ্জ: 4159 - 4213 |
| 36 | Signet-Rings (Kitab Al-Khatam) (Signet-Rings (Kitab Al-Khatam)) | হাদিস রেঞ্জ: 4214 - 4239 |
| 37 | Trials and Fierce Battles (Kitab Al-Fitan Wa Al-Malahim) (Trials and Fierce Battles (Kitab Al-Fitan Wa Al-Malahim)) | হাদিস রেঞ্জ: 4240 - 4278 |
| 38 | The Promised Deliverer (Kitab Al-Mahdi) (The Promised Deliverer (Kitab Al-Mahdi)) | হাদিস রেঞ্জ: 4279 - 4290 |
| 39 | Battles (Kitab Al-Malahim) (Battles (Kitab Al-Malahim)) | হাদিস রেঞ্জ: 4291 - 4350 |
| 40 | Prescribed Punishments (Kitab Al-Hudud) (Prescribed Punishments (Kitab Al-Hudud)) | হাদিস রেঞ্জ: 4351 - 4493 |
| 41 | Types of Blood-Wit (Kitab Al-Diyat) (Types of Blood-Wit (Kitab Al-Diyat)) | হাদিস রেঞ্জ: 4494 - 4595 |
| 42 | Model Behavior of the Prophet (Kitab Al-Sunnah) (Model Behavior of the Prophet (Kitab Al-Sunnah)) | হাদিস রেঞ্জ: 4596 - 4772 |
| 43 | General Behavior (Kitab Al-Adab) (General Behavior (Kitab Al-Adab)) | হাদিস রেঞ্জ: 4773 - 5274 |
হাদিস তালিকা
সুনানে আবু দাউদ : 1
Hasan Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পায়খানার উদ্দেশ্যে দূরে চলে যেতেন।[1] হাসান সহীহ।
(1, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 2
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পায়খানার উদ্দেশে দূরে চলে যেতেন, যেন তাঁকে কেউ দেখতে না পায়।[1] সহীহ।
(2, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 3
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবুত্ তাইয়্যাহ্ বর্ণনা করেন, জনৈক শায়খ আমাকে বলেছেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) যখন বসরাতে আগমন করলেন, তখন তার নিকট আবূ মূসা (রাঃ)-এর সূত্রে হাদীস বর্ণনা করা হয়। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) কিছু বিষয় জানতে চেয়ে আবূ মূসার (রাঃ) নিকট চিঠি লিখলেন। উত্তরে আবূ মূসা (রাঃ) তাকে লিখলেন, একদিন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি পেশাব করার ইচ্ছা করলেন। অতঃপর তিনি একটি দেয়ালের গোড়ার নরম মাটিতে গিয়ে পেশাব করলেন। এরপর তিনি বললেন, ‘তোমাদের কেউ পেশাব করতে চাইলে যেন নীচু নরম জায়গা অনুসন্ধান করে নেয়।’[1] দুর্বল : যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর ৩১৯, মিশকাত ৩৪৫।
(3, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 4
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পায়খানায় প্রবেশ করতেন, হাম্মাদের বর্ণনা মতে, তখন তিনি বলতেনঃ ‘‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।’’ আর ‘আবদুল ওয়ারিসের বর্ণনা মতে, তিনি বলতেনঃ ‘‘আমি আল্লাহর কাছেআশ্রয় চাইছি শাইত্বানদের থেকে ও যাবতীয় অপবিত্রতা থেকে।’’[1] সহীহ : বুখারী- ১৪২ ও মুসলিম, হায়িয অধ্যায়- ১২২, তিরমিযী- ৫, নাসাঈ- ১৯। قَالَ أَبُو دَاوُدَ: رَوَاهُ شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ: "اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ"، وَقَالَ مَرَّةً: "أَعُوذُ بِاللهِ"، وَقَالَ وُهَيْبٌ: "فَلْيَتَعَوَّذْ بِاللهِ". ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, শু‘বাহ আব্দুল আযীয থেকে বর্ণনা করেনঃ ‘‘হে আল্লাহ আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।’’ আরেক বর্ণনায় তিনি বলেনঃ আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।
(4, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 5
Shadh
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ‘আবদুল ‘আযীয ইবনু সুহাইব (রহঃ) আনাস (রাঃ) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাতে ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি’ কথাটি রয়েছে। শু’বাহ আবদুল আজিজ সুত্রে বলেন, তিনি একবার ‘আউযুবিল্লাহ’ বলেছেন। আর আবদুল আযীয সুত্রে উহাইব বর্ণনা করেছেন যে, তাতে 'সে যেন আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে' কথাটি রয়েছে।[1] শাজ।
(5, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 6
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। যায়িদ ইবনু আরক্বাম (রাঃ) সূত্র থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, সাধারণতঃ পায়খানার স্থানে শয়তান এসে থাকে। সুতরাং তোমাদের কেউ পায়খানায় প্রবেশকালে যেন বলেঃ ‘‘আমি আল্লাহর কাছে শাইত্বান ও যাবতীয় অপবিত্রতা হতে আশ্রয় চাইছি।’’[1] সহীহ; ইবনু মাজাহ- ২৯৬।
(6, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 7
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। সালমান (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। বর্ণনাকারী ‘আবদুর রহমান বলেন, সালমান (রাঃ)-কে বলা হলো, তোমাদের নবী তোমাদেরকে সবকিছুই শিক্ষা দিয়েছেন, এমন কি পায়খানা করার নিয়মও। সালমান (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে কিবলামুখী হয়ে পেশাব-পায়খানা করতে, ডান হাতে শৌচ করতে, শৌচকার্যে আমাদের কারো তিনটি ঢিলার কম ব্যবহার করতে এবং গোবর অথবা হাড্ডি দ্বারা শৌচ করতে নিষেধ করেছেন।[1] সহীহ : মুসলিম।
(7, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 8
Hasan
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি তোমাদের জন্য পিতৃতুল্য, তোমাদেরকে আমি দ্বীন শিক্ষা দিয়ে থাকি। তোমাদের কেউ পায়খানায় গেলে কিবলামুখী হয়ে বসবে না এবং কিবলার দিকে পিঠ দিয়েও বসবে না, আর ডান হাতে শৌচ করবে না। তিনি তিনটি ঢিলা ব্যবহারের নির্দেশ দিতেন এবং গোবর ও হাড্ডি দ্বারা শৌচ করতে নিষেধ করতেন [1]। হাসান; এর অংশ বিশেষ মুসলিমে আছে।
(8, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 9
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ আইয়ূব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ‘‘তোমরা পায়খানায় গিয়ে কিবলামুখী হয়ে পায়খানা-পেশাব করবে না, বরং পূর্ব অথবা পশ্চিমমূখী হয়ে বসবে।’’ আবূ আইয়ূব (রাঃ) বলেন, আমরা সিরিয়ায় গিয়ে দেখতে পেলাম, সেখানকার শৌচাগারগুলো কিবলামুখী করে বানানো। সেজন্য উক্ত স্থানে আমরা একটু বেঁকে বসতাম এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাইতাম।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
(9, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 10
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। মা‘ক্বিল ইবনু আবূ মা‘ক্বিল আল-আসাদী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই কিবলার (কা’বা ও বাইতুল মাক্বদিসের) দিকে মুখ করে পেশাব-পায়খানা করতে নিষেধ করেছেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ যায়দ সা‘লাবা গোত্রের দাস।[1] মুনকার: যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর ৬০০১।
(10, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 11
Hasan
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। মারওয়ান আল-আসফার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি দেখলাম, ইবনু ‘উমার (রাঃ) তার উটকে কিবলার দিকে বসালেন। অতঃপর ঐ উটের দিকে মুখ করে বসে পেশাব করলেন। আমি বললাম, হে আবু ‘আবদুর রহমান! এ থেকে (অর্থাৎ কিবলামুখী হয়ে পেশাব করতে) নিষেধ করা হয়নি কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তবে এ নিষেধ উন্মুক্ত ময়দানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তোমার এবং কিবলার মাঝখানে কোন কিছুর আড়াল থাকলে তা দোষনীয় নয়।[1] হাসান।
(11, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 12
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ঘরের ছাদে উঠে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দু’টি ইটের উপর বসে বাইতুল মাক্বদিসের দিকে মুখ করে পেশাব-পায়খানা করতে দেখেছি।[1] সহীহ: বুখারী ও মুসলিম।
(12, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 13
Hasan
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিবলামুখী হয়ে পেশাব করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর ইন্তিকালের এক বছর পূর্বে কিবলামুখী হয়ে পেশাব-পায়খানা করতে দেখেছি।[1] হাসান।
(13, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 14
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পেশাব-পায়খানার ইচ্ছা করতেন, তিনি যমীনের নিকটবর্তী না হওয়া পর্যন্ত কাপড় উঠাতেন না।[1] আবূ দাঊদ বলেনঃ আবদুস সালাম আ‘মাশ সূত্রে আনাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি দুর্বল। সহীহ।
(14, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 15
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ দুই ব্যক্তি একই সঙ্গে পেশাব-পায়খানায় জন্য বের হবে না এবং আপন লজ্জাস্থান উন্মুক্ত করে কথাবার্তা বলবে না। কারণ এরূপ কাজে মহাসম্মানিত আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন।[1] আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইকরিমাহ ইবনু আম্মারই সানাদসহ বর্ণনা করেছেন। দুর্বল।
(15, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 16
Hasan
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেশাব করছিলেন, এমতাবস্থায় তাঁর পাশ দিয়ে অতিক্রমকারী এক ব্যক্তি তাকে সালাম দিল। তিনি তার জবাব দিলেন না। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনু ‘উমার ও অন্যান্য সূত্রে বর্ণিত আছেঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তায়াম্মুম করলেন, তারপর লোকটির সালামের জবাব দিলেন।[1] হাসান; মুসলিম।
(16, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 17
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আল-মুহাজির ইবনু কুনফুয (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়ে তাঁকে সালাম দিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেশাব করছিলেন। সেজন্য অযূ না করা পর্যন্ত তিনি তার জবাব দিলেন না। অতঃপর (পেশাব শেষে অযূ করে) তিনি তার নিকট ওযর পেশ করে বললেন, পবিত্রতা ছাড়া আল্লাহর নাম স্মরণ করা আমি অপছন্দ করি।[1] সহীহ।
(17, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 18
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বাবস্থায় মহামহিয়ান আল্লাহর জিকির করতেন।[1] সহীহ: মুসলিম।
(18, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 19
Daif
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পায়খানায় যাওয়ার সময় আংটি খুলে রাখতেন।[1] মুনকার: যইফ আল-জামি'উস সাগীর ৪৩৯০, মিশকাত ৩৪৩। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি মুনকার। হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে ইবনু জুরাইজ হতে, তিনি যিয়াদ ইবনু সা‘দ হতে, তিনি যুহরী হতে আনাস সূত্রে মারফূ‘ভাবে এভাবেঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি রূপার আংটি বানান, অতঃপর তা ফেলে দেন। হাদীসটি বর্ণনায় হাম্মামের ব্যাপারে সন্দেহ রয়েছে। আর হাম্মাম ছাড়া কেউ এটি বর্ণনা করেননি।
(19, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)
সুনানে আবু দাউদ : 20
Sahih
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে বললেন, এ দু’জনকে শাস্তি দেয়া হচ্ছে। কিন্তু কোন বড় গুনাহের কারণে শাস্তি দেয়া হচ্ছে না। তিনি (একটি ক্বররের দিকে ইশারা করে) বললেন, এই ব্যক্তি পেশাবের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করত না। আর (অপর কবরের দিকে ইশারা) করে বললেন, এই ব্যক্তি চোগলখোরী করে বেড়াত। অতঃপর তিনি খেজুরের একটি তাজা ডাল আনিয়ে সেটি দু’ টুকরা করে একটি এ কবরে এবং অপরটি ঐ কবরে গাড়লেন এবং বললেনঃ আশা করা যায়, ডাল দু’টি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত তাদের শাস্তি কিছুটা হালকা করা হবে। হান্নাদ يَسْتَنْزِهُ শব্দের স্থলে يَسْتَتِرُ শব্দ উল্লেখ করেছেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
(20, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; মুসলিম ২৩/৪৫ হাঃ ১৯০৭, আহমাদ ১৬৮) ( আধুনিক প্রকাশনী- ১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১)